প্রথম আলোর কার্যালয়ে ভাঙচুর ও ইসলামিক লেখককে তুলে নেওয়ার অভিযোগে তীব্র প্রতিক্রিয়া
জুলাইয়ে অগ্রসেনানী যোদ্ধা শরিফ ওসনান বিন হাদির গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ইন্তিকালের পর রাজধানীতে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার জেরে দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-জনতা দৈনিক প্রথম আলোর কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় পুলিশ ৯ জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারদের মধ্যে একজনের পরিচয় প্রকাশ করা হলেও সেখানে কেবলমাত্র তাকে “কওমী মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থী” হিসেবে উল্লেখ করা হয়। পরিচয়ের এ ধরনের উপস্থাপনাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও একপেশে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিভিন্ন মহল।
এরই ধারাবাহিকতায় প্রথম আলো কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন ইসলামিক লেখক মাওলানা আইনুল হক কাসেমী। পোস্টে তিনি ঘটনার নিন্দা জানানোর পাশাপাশি গ্রেফতার ও পরিচয় প্রকাশের বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
অভিযোগ রয়েছে, ওই পোস্টের পরদিন মাওলানা আইনুল হক কাসেমীকে মাদ্রাসা থেকে র্যাব পরিচয়ে সিভিল ড্রেসধারী ব্যক্তিরা “জিজ্ঞাসাবাদের” কথা বলে তুলে নিয়ে যান। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক গ্রেফতার বা মামলা সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সাধারণ জনগণ, ছাত্রসমাজ ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপদেষ্টা পরিষদ ও প্রশাসনের ভূমিকার বিরুদ্ধে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
প্রতিবাদকারীরা বলেন,
“ডকুমেন্ট ছাড়া কাউকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছিলাম। এভাবে গুম হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হবে—এমন বাংলাদেশ আমরা চাইনি।”
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিডিএস নিউজ | BDS NEWS

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন